১ শতাংশ প্রণোদনা রপ্তানি তৈরি পোশাকখাতে

বস্ত্র ও তৈরি পোশাক শিল্পখাতে রপ্তানি
প্রণোদনা ১ শতাংশ অব্যাহত থাকছে। বিগত অর্থবছরেরও এ খাতে এই ১ শতাংশ প্রণোদনা ছিল।
বৃহস্পতিবার দুপুরে জাতীয় সংসদে ২০২১-২২ অর্থ বছরের প্রস্তাবিত বাজেট পেশকালে অর্থমন্ত্রী
আ হ ম মুস্তফা কামাল এ কথা জানান।
করোনার কারণে তৈরি হওয়া বিরূপ পরিস্থিতিতে
বস্ত্র ও তৈরি পোশাক খাতের উদ্যোক্তাদের পক্ষ থেকে নতুন করে প্রণোদনার ঋণের আবেদনে
সাড়া দেয়নি সরকার।
বাজেট উপস্থাপনের সময় অর্থমন্ত্রী আ হ
ম মুস্তফা কামাল বলেন, ২০১৯-২০ অর্থ বছরে ব্স্ত্র ও তৈরি পোশাক খাতে বিদ্যমান বিভিন্ন
রপ্তানি প্রণোদনার সঙ্গে ১ শতাংশ হারে অতিরিক্ত প্রণোদনা দেওয়া শুরু হয়, ফলে উক্ত খাত
করোনাভাইরাসজনিত মহামারির প্রভাব সফলভাবে মোকাবিলায় সক্ষম হয়েছে। চলতি অর্থ বছরে এ
ধারা অব্যাহত রাখার ফলে বস্ত্র ও তৈরি পোশাক শিল্প খাত ঘুরে দাঁড়ায় এবং বিশ্বব্যাপী
করোনা পরিস্থিতি বিদ্যমান থাকা সত্ত্বেও আশানুরূপ রপ্তানি অর্জন করে। এ কারণে আগামী
অর্থ বছরেও এই অতিরিক্ত রপ্তাণি প্রণোদনা অব্যাহত রাখার প্রস্তাব করছি।
স্বল্প সুদের প্রণোদনার ঋণ না পাওয়ায় মে
মাসের বেতন এবং ঈদের বোনাস পরিশোধে বেকায়দায় পড়েছেন ছোট ও মাঝারি আকারের কারখানার মালিকরা।
ব্যাংক থেকে 'টাইম লোন' হিসেবে তিন মাসের জন্য জরুরি ঋণ নিয়ে মজুরি ও বোনাস পরিশোধের
চেষ্টা করছেন তারা।
শিল্প পুলিশ, বিজিএমইএ ও শ্রমিক সংগঠনগুলোর
তথ্য অনুযায়ী, অন্তত ৩০০ কারখানা মজুরি পরিশোধে সমস্যায় আছে।
বস্ত্র ও তৈরি পোশাক শিল্প খাতের উদ্যোক্তারা
বলছেন, রপ্তানি যাই হোক, উদ্যোক্তাদের হাতে টাকা আসছে কম। অথচ বেতন ও বোনাস পরিশোধের
মূল চাপ এখন।
বেতন-বোনাস নিয়ে ছোট ও মাঝারি আকারের কারখানাগুলোতে
সংকটের আশঙ্কা করছেন তারা। এ রকম ৩০০ কারখানার একটি তালিকা আছে তাদের হাতে।








