দ্বিতীয় প্রান্তিকে রহিম টেক্সটাইলের ইপিএস বেড়েছে

চলতি
হিসাববছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর, ২০২৪) শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) বেড়েছে
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বস্ত্র খাতের কোম্পানি রহিম টেক্সটাইল মিলস
পিএলসি। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ
(ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা
গেছে।
কোম্পানিটির অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে,
প্রথম দুই প্রান্তিকে বা
প্রথমার্ধে (জুলাই-ডিসেম্বর, ২০২৪) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৪৯ পয়সা, আগের
বছরের একই সময় ছিল
২৫ পয়সা। অর্থাৎ প্রথমার্ধে বা প্রথম দুই
প্রান্তিকে ইপিএস বেড়েছে ২৪ পয়সা। অন্যদিকে
দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর, ২০২৪) কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে
২৮ পয়সা, আগের বছরের একই
সময়ে যা ছিল ১৩
পয়সা। অর্থাৎ শুধু দ্বিতীয় প্রান্তিকের
হিসেবে ইপিএস বেড়েছে ১৫ পয়সা। ২০২৪
সালের ৩১ ডিসেম্বরে কোম্পানিটির
শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভি)
দাঁড়িয়েছে ২৫ টাকা ৩২
পয়সা। এছাড়া প্রথম দুই প্রান্তিকে কোম্পানিটির
শেয়ারপ্রতি নগদ অর্থপ্রবাহ হয়েছে
১১ টাকা ৮১ পয়সা,
অথচ আগের বছরের একই
সময়ে ছিল ৯ টাকা
৩২ পয়সা (লোকসান)।
এদিকে
গতকাল ডিএসইতে কোম্পানিটির শেয়ার দর শূন্য দশমিক
১৭ শতাংশ বা ২০ পয়সা
বেড়ে প্রতিটি সর্বশেষ ১১৫ টাকা ৯০
পয়সায় হাতবদল হয়, যার সমাপনী
দরও ছিল একই। দিনব্যাপী
২১ হাজার ৯৫৭ শেয়ার ২০৬
বার হাতবদল হয়, যার বাজারদর
২৫ লাখ ৮০ হাজার
টাকা। দিনভর শেয়ারদর ১১৫ টাকা ১০
পয়সা থেকে ১২৫ টাকা
৯০ পয়সায় হাতবদল হলেও গত এক
বছরের মধ্যে কোম্পানিটির শেয়ার দর সর্বনিম্ন ১০২
টাকা থেকে সর্বোচ্চ ১৬৯
টাকা ৪০ পয়সার মধ্যে
ওঠানামা করে।
কোম্পানিটি
১৯৮৮ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত
হয়ে বর্তমানে ‘এ’ ক্যাটেগরিতে অবস্থান
করছে। ৫০ কোটি টাকা
অনুমোদিত মূলধনের বিপরীতে পরিশোধিত মূলধন ৯ কোটি ৪৬
লাখ টাকা। কোম্পানির রিজার্ভে রয়েছে ১৪ কোটি ২
লাখ টাকা। কোম্পানিটির মোট ৯৪ লাখ
৫৯ হাজার ৬৮৩ শেয়ারের মধ্যে
উদ্যোক্তা বা পরিচালকদের কাছে
৭০ দশমিক ৯৪ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক
বিনিয়োগকারীদের কাছে ৭ দশমিক
২৬ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীর
কাছে বাকি ২১ দশমিক
৮০ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।
২০২৪ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত
হিসাববছরের জন্য কোম্পানিটির পরিচালনা
বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ নগদ
লভ্যাংশ দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে। আলোচিত সময়ে শেয়ারপ্রতি আয়
(ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৩
পয়সা এবং ৩০ জুন,
২০২৪ তারিখে শেয়ারপ্রতি নেট সম্পদমূল্য (এনএভি)
দাঁড়িয়েছে ২৪ টাকা ৮২
পয়সা।
এর আগে ২০২৩ সালের
৩০ জুন সমাপ্ত হিসাববছরের
জন্য কোম্পানিটির পরিচালনা বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি।
আলোচিত সময়ে শেয়ারপ্রতি আয়
(ইপিএস) হয়েছিল ১৩ টাকা ১৮
পয়সা (লোকসান) এবং ৩০ জুন,
২০২৩ তারিখে শেয়ারপ্রতি নেট সম্পদমূল্য (এনএভি)
হয়েছিল ২৩ টাকা ৭৯
পয়সা। আর আলোচিত হিসাববছরে
কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নগদ অর্থ প্রবাহ
হয়েছিল ১ টাকা ৬৯
পয়সা। এর আগে ২০২২
সালের ৩০ জুন সমাপ্ত
হিসাববছরের জন্য কোম্পানিটির পরিচালনা
বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ নগদ
লভ্যাংশ দিয়েছিল। আলোচিত সময়ে শেয়ারপ্রতি আয়
(ইপিএস) হয়েছিল ১ টাকা ৫৮
পয়সা এবং ৩০ জুন,
২০২২ তারিখে শেয়ারপ্রতি নেট সম্পদমূল্য (এনএভি)
দাঁড়িয়েছিল ৩৭ টাকা ৯৭
পয়সা। আর আলোচিত হিসাববছরে
কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নগদ অর্থ প্রবাহ
হয়েছিল ৯ পয়সা।








